Skip to main content

Posts

নবাবগঞ্জে তাবলিগফেরত বৃদ্ধ করোনায় আক্রান্ত, ৩ পরিবার লকডাউনে

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় নতুন করে আরও এক ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচএম সালাউদ্দিন মনজু। তিনি বলেন, আক্রান্ত ওই ব্যক্তি কয়েক দিন আগে তাবলিগ জামাত থেকে এসেছেন। তার শরীরে করোনা উপসর্গ দেখা দিলে নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার আইইডিসিআরে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে ওই ব্যক্তির শরীরে করোনা নিশ্চিত করে আইইডিসিআর। রিপোর্ট পাওয়ার পর পর ওই গ্রামের ৩ পরিবারকে লকডাউন করা হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তি উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়নের ছোট তাশুল্লা গ্রামের বাসিন্দা এবং তার বয়স ৬৫ বছর বলে জানান এইচএম সালাউদ্দিন মনজু। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মকর্তা ডা. শহীদুল ইসলাম জানান, আক্রান্ত ব্যক্তিকে ঢাকার কুয়েতমৈত্রী হাসপাতালে আইসোলেশনে ভর্তি করার হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ নবাবগঞ্জ উপজেলায় বাহ্রা ইউনিয়নে সৌদি আরব থেকে আসা ৪৭ বছর বয়সী এক প্রবাসীর শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। সে হিসাবে নবাবগঞ্জে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দুজনে দাঁড়াল।
Recent posts

দ্বিগুণ হারে বাড়ছে সংক্রমণ

এক দিনে ৩৫ জনসহ মোট আক্রান্ত ১২৩, দুদক পরিচালকসহ আরও ৩ মৃত্যু দেশে দ্বিগুণ হারে বাড়ছে করোনাভাইরাস সংক্রমণ। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল এক দিনেই নতুন ৩৫ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়েছে। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথমবারের মতো কারও দেহে সংক্রমণ ধরা পড়ার ৩০ দিনের মাথায় প্রাদুর্ভাবের শুরু দেখা যাচ্ছে। গত ২ এপ্রিল আক্রান্ত হন ২ জন, পরদিন ৩ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৫ জন, ৪ এপ্রিল আক্রান্ত ৯ জন, ৫ এপ্রিল নতুন সংক্রমণ হয় ১৮ জনের দেহে এবং সর্বশেষ গতকাল ৬ এপ্রিল তা দ্বিগুণ হয়ে আক্রান্ত হন ৩৫ জন। এ নিয়ে দেশে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৩ জনে। গতকাল আক্রান্ত রোগীর মধ্যে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একজন পরিচালক ও নারায়ণগঞ্জের ২ জন মারা গেছেন। ফলে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ জনে। এদিকে করোনাভাইরাস এখন পর্যন্ত দেশের ১৫ জেলায় বিস্তৃত হয়েছে। ঢাকার অধিবাসীরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। এর পরই স্থান করে নিয়েছে নারায়ণগঞ্জ। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে ৬৪ জন, ঢাকার বিভিন্ন উপজেলায় ৪ জন,  নারায়ণগঞ্জে ২৩ জন, মাদারীপুরে ১১ জন, চট্টগ্রামে...

করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় মোহাম্মদপুরের ৪ রোড লকডাউন

করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার চার সড়ক লকডাউন করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকালে এ চারটি সড়কের প্রবেশপথ লকডাউন করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত লকডাউনের আওতায় থাকবেন এসব এলাকার বাসিন্দারা। সড়কগুলো হলো-মোহাম্মদপুরের রাজিয়া সুলতানা রোড, বাবর রোডের কিছু অংশ, তাজমহল রোডের ২০ সিরিয়াল রোড ও বসিলার পশ্চিম অংশ। এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) মোহাম্মদ আবদুল আলীম বলেন, আমরা মোহাম্মদপুরের চারটি রোডে ছয়জন করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় রোডগুলো লকডাউন করে দিয়েছি। এ রোডে কারও প্রবেশ ও বাহির হওয়া নিষেধ করা হয়েছে। বিডি প্রতিদিন/হিমেল

নেপালের রাস্তায় গণ্ডার, লকডাউনে বাইরে বের হলেই ‘শাস্তি’!

করোনা সংক্রমণ এড়াতে নেপালজুড়ে জারি হয়েছে লকডাউন। শহরের ব্যস্ততম এলাকাগুলো শুনশান, নিঝুম। ফলে বন্য প্রাণিদের অবাধ বিচরণভূমি হয়ে উঠেছে শহরের রাজপথ। মাঝেমধ্যেই বিড়াল বা শিয়ালের দেখা মিলছে। সম্প্রতি নেপালের রাস্তায় দেখা মিলল এক গণ্ডারের। পিচঢালা পথের উপর দিয়ে বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছে সে। যেন লকডাউনের মধ্যে রাস্তাঘাট ঘুরে লকডাউন পরিস্থিতি ঠিক আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে সে। ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিসের এক কর্মকর্তা সম্প্রতি একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। ভিডিওতে দেখা গেছে, রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে গণ্ডার। ভিডিওটি নেপালের চিত্রওয়ান জাতীয় উদ্যান এলাকায় তোলা হয়েছে। করোনা সংক্রমণ রুখতে নেপাল সরকার ২৪ মার্চ পর্যন্ত, এক সপ্তাহব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করেছিল। পরিস্থিতি নজরে রেখে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে। লকডাউনের কারণে, দেশের ব্যস্ত বাজারগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষকে বাইরে বেরোতেও নিষেধ করা হয়েছে। এর মধ্যে গণ্ডারটি যেন লকডাউনের পরিস্থিতি পরিদর্শনে বেরিয়েছেন। মজা করে এমনই লিখেছেন পারভিন। ভিডিওতে দেখা গেছে, রাস্তায় একটি লোককে ঘুরে বেড়াতে দেখে ত...

ভেন্টিলেটর ও অক্সিজেন প্রস্তুত রাখা দরকার ডা. খান আবুল কালাম আজাদ

নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৮০ শতাংশের মৃদু উপসর্গ থাকে। তাদের সাধারণত হাসপাতালে না গেলেও চলে। বাকি ২০ শতাংশের হাসপাতালে যেতে হয় প্রধানত শ্বাসকষ্ট নিয়ে, যাদের বড় অংশ সাধারণ অক্সিজেনেই ভালো অনুভব করে। মাত্র ৫ শতাংশের মতো শ্বাসতন্ত্রের জটিল রোগীকে বাঁচাতে সব দেশেই এখন ভেন্টিলেটর নিয়ে হুড়াহুড়ি পড়ে গেছে। এটা মানুষের প্রাণ বাঁচানোর শেষ অস্ত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। তার মানে এই নয় যে ভেন্টিলেটর ব্যবহার করলেই সব রোগী বেঁচে যাচ্ছে। বরং বলা যায়, এটা শেষ চেষ্টা মাত্র। আমাদের দেশেও পরিস্থিতি যদি আরো খারাপ হয়ে যায় তখন এমন জটিল পর্যায়ের রোগীদের জন্য কৃত্রিম মাধ্যমে শ্বাস-প্রশ্বাসে সহায়তার দরকার হবে। তবে এর আগে বড় দরকার হচ্ছে আরেক জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জাম অক্সিজেন ও সংশ্লিষ্ট বিশেষায়িত মাস্ক। এটা জেলা-উপজেলা পর্যায়েও থাকতে হবে, প্রস্তুত রাখতে হবে। কারণ যারা শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে যাবে তাদের এই সাপোর্ট জরুরি। ভেন্টিলেটরের আগের পর্যায়ে এটা প্রয়োগ করতে পারলে অনেকে সুস্থ হয়ে উঠবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের এখন দেখতে হবে সব হাসপাতালে অক্সিজেন সেটআপ কেমন আছে। সেগুলো সব ঠিকঠা...

করোনা ছড়ানোর কোন সুযোগই নেই ভিয়েতনামে, একজনও মরেনি!

চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে উৎপত্তি হওয়া প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়লেও চীনের পার্শবর্তীদেশ ভিয়েতনামে ভাইরাসটি তেমন ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। জানুয়ারিতে দেশটিতে প্রথম কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত প্রথম দু'জন রোগী শনাক্ত হন। মাত্র ১৩০০ কিলোমিটার দূরে চীনের উহানে তত দিনে আক্রান্তের সংখ্যা সাত হাজার ছাড়িয়েছে, মৃত ১৭০। ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভিয়েতনামে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয় ১০। ভিয়েতনামের লোকসংখ্যা কম না, দশ কোটির কাছাকাছি। করোনা প্রতিরোধে ভিয়েতনাম স্বাস্থ্য দফতর যা যা কাজ করেছিল, তার মধ্যে শুধু বিজ্ঞাপন নয়, সরাসরি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করাটা ছিল অন্যতম। অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই ভিয়েতনাম স্বাস্থ্য দফতর করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামে। ভিয়েতনামে প্রতিটি মানুষের জন্য মানবিক মানসম্পন্ন পরিচর্যামূলক চিকিৎসার সুব্যবস্থা আছে, জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাও খুব উন্নত। তাই রোগ প্রতিরোধ, রোগ হলে মৃত্যুও আটকানো সহজ হয়। ৬ এপ্রিল পর্যন্ত দশ কোটি জনসংখ্যার দেশে কোভিড-১৯’এর আক্রমণে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। আক্রান্তের সংখ্যা আড়াইশোর কম। সরকারি নির্দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান...

ঢাকায় করোনায় আক্রান্ত আরো ২০

রাজধানীতে নতুন করে আরো ২০ জনের দেহে করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে।  সব মিলিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে ৪১ জনের। এ নিয়ে দেশে ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ১৬৪ জনে। এছাড়া দেশে করোনা সংক্রমণে আরো পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতদের মধ্যে দুই জন ঢাকার অধিবাসী বলে জানা গেছে। আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে করোনাভাইরাস বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ব্রিফ করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ। এতে অন্যদের মধ্যে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের  (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরাও উপস্থিত ছিলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৭৯২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এই ফলাফল মিলেছে। গতকালের পরিসংখ্যানে ঢাকায় ৬৪ জনের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার তথ্য বলা হয়েছিল। সে সংখ্যার সঙ্গে ২০ জন যোগ হওয়ায় ঢাকায় মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮৪ জনে দাঁড়িয়েছে। তবে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্...